আসসালামু আলাইকুম ওয়া রাহমাতুল্লাহি ওয়া বারাকাতু। আলহামদুলিল্লাহ,সুপ্রিয় দর্শক শ্রোতা ভাই বোন।আমাদের জীবনে এমন কিছু সময় আসে যখন দেয়ালে পিঠ ঠেকে যায়।
যখন আমাদের নির্দিষ্ট চাওয়া পূরণ করা ছাড়া আর বিকল্প কোন পথ সামনে খোলা থাকে না। এ ধরনের পরিস্থিতিতে কাছে আমাদের মনের একান্ত কামনা,বাসনাগুলোকে পূরণ করবার জন্য একটি বিশেষ পথ বাতলেছেন আমাদেরকে প্রিয় নবী আর সেটি হল-
ইসমে আজমঃ ইসমে আজম মানে হল মহান নাম। আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের এই ইসমে আজম তথা মহান নামের মাধ্যমে কোন কিছু চাওয়া হলে তিনি সেটা পূরণ করেন।এই নামের মাধ্যমে আল্লাহকে ডাকা হলে তিনি সেটাতে সারা দেন।
এই মর্মে অনেকগুলো হাদিস রয়েছে। অনেক ওলামায়ে ক্রাম ইসমে আজম সম্পর্কে বলেছেন যে, এটি হলো আল্লাহ রব্বুল আলামিনের যে মূল নাম, আল্লাহ সেটি তার অনেকগুলো গুনবাচক নাম আছে।তোমাদের থেকে আল্লার রাব্বুল আল আমিনের যে মূল নাম।আল্লাহ এই আল্লাহ এই নামের মাধ্যমে আল্লাহর ডেকে যদি বান্দা কোন কিছু চান অন্তরের গভীর থেকে তাহলে সে দোয়া অবশ্যই কবুল করেন।
এজন্য কোনো কিছু আল্লাহর কাছে চাওয়ার আগে যদি আল্লাহ বলে ডেকে ভালোবাসা থেকে, আস্থা থেকে, ভরসা থেকে কায়মনোবাক্যে দীনতাহীনতার সাথে আল্লাহকে ডেকে যদি কেউ দোয়া করেন।তাহলে সে দুয়া আল্লাহর উপর আলামিন ফিরিয়ে দেন না।
ইসমে আজম সম্পর্কে আরো নির্দিষ্ট করে আমরা ইসলামের যে হাদীসটি দেখতে পাই সেটি বর্ণিত হয়েছে,সেই হাদিস সম্পর্কে বিশ্ব বিখ্যাত হাদিস লেখক রহিমাহুল্লাহ লিখেছেন, যে ইসমা আজম সম্পর্কে সবচাইতে বিশুদ্ধতম হাদিস হলো এটি। আর সেটি হলো এই যে বর্ণনা করেছেন এক ব্যাক্তি নামাজের মধ্যে একবার কিছু বাক্য বলে উঠলেন।তার কথাগুলো শুনলেন।তিনি বলে উঠলেন আল্লাহুম্মা ইন্নি আসলকা।
অর্থাৎ তার মুখে এই বাক্যগুলো শুনে নেবে বলেছেন,নিশ্চই এই লোকটি ইসমে আজম পাঠ করেছে ইসমে আজমের মাধ্যমে আল্লাহ রাব্বুল আলামিনের কাছে কোনো কিছু চাওয়া হলে তিনি সেটা ফিরিয়ে দেন না। এর মাধ্যমে আল্লাকে ডাকলে তিনি অবশ্যই তাতে সাড়া দেন এ হাদিসের ভিত্তিতে অনেক বলেছেন এটি হলো সেই দোয়া যেটাকে ইসমাহাজম বলা হয়।
যার মাধ্যমে এটি পাঠ করার পর আল্লাহর কাছে কোন কিছু পেশ করলে সেটাকে অবশ্যই আল্লাহ তালা পূরণ করেন. মনের যে কোনো ভালো আশা আল্লাহতালা পূরণ করে থাকেন। দোয়াটি আবারও বলছি
আহা যার অর্থ হলো হে আল্লাহ আমি আপনার কাছে প্রার্থনা করছি এ মর্মে যে এই জন্য যে এই ভিত্তিতে যে আমি সাক্ষ্য দেই আপনি আল্লাহ,
আপনি ছাড়া সত্যিকারের কোনো মাবুদ নেই। আপনি কারো মুখাপেক্ষী নন। আপনি একক এবং আপনি কাউকে জন্ম দেননি,আপনাকেও কেউ কেউ জন্ম দেয়নিএবং আপনার সমকক্ষ আর কেউ হতে পারে না।
এই বাক্যগুলো পাঠ করে আল্লাহ বলেন কাছে কোনো চাওয়া পেশ করলে তিনি অবশ্যই সেটি পূরণ করেন। কেউ যদি অত্যন্ত সংক্ষেপে মাধ্যমে দোয়া করতে চান তাহলে তিনি প্রতি আন্তরিকতা, ভালোবাসা, শ্রদ্ধা, বিশ্বাস, ভক্তি এবং ভরসা রেখে
আল্লাহকে ডেকে ডেকে, মায়ার সাথে মমতার সাথে আল্লার অনুগ্রহ গুলার কথা স্মরণ করি, আল্লাহকে ডেকে, ডেকে তার মনের চাওয়াগুলো পূরণ করবেন। এটা হবে ইসমে আজমের সবচাইতে ছোট ভাষণ,আর যদি কারো হাতে সময় থাকে তাহলে তিনি ইসমে আজমের যে দোয়াটি আমরা কথা বলেছি কুপন এ দোয়াটা তিনি পাঠ করবেন করে আল্লাহর কাছে তার চাওয়া পেশ করবেন।
জীবনের কঠিন মুহূর্তগুলোতে বিশেষ করে এই স্মাগম পাঠ করে আল্লাহর কাছে দোয়া করব. সেটা অবশ্যই আল্লাহতালা কবুল করবেন. যদি দেওয়ার মৌলিক শর্তগুলো আমরা পূরণ করে থাকি, হালাল ভক্ষণ করা,কায়মনোবাক্যে দোয়া করা এবং দুআর ক্ষেত্রে আন্তরিকতা এবং ঐকান্তিকতা থাকা এ বিষয়গুলোকে যদি খেয়াল করে আমরা দোয়া করি ইনশাল্লাহ বিসমিল্লাহ আল্লাহ তালা আমাদের সেই দোয়া পূরণ করবেন। কোনো কারণে সেই দোয়া যদি পূরণ হতে আমরা না দেখি তাহলে সন্দেহতিক ভাবে আমাদের বিশ্বাস রাখতে হবে
এটা পূরণ এই মুহূর্তে না হওয়ার মাঝে আমাদের জন্য। কল্যাণ নিহিত আছে আল্লাহতালা এর বিনিময়ে আমাদেরকে আখিরাতে দিবেন। এছাড়াও দোয়ায় অনুসের মাধ্যমে এটা পাঠ করেও যদি কেউ দোয়া করেন তার মাধ্যমে দোয়া কবুল করেন। বর্ণিত হয়েছে,আল্লাহ তালা আমাদের সবাইকে ইসমে আজমের মাধ্যমে আল্লাহর কাছে জীবনের কঠিন মুহূর্তগুলোতে দোয়া পেশ করার তৌফিক দান করুন।
